Home জাতীয় দুই বছরের সাজা এড়াতে ২৮ বছর ধরে পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার

দুই বছরের সাজা এড়াতে ২৮ বছর ধরে পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার

50
0
পলাতক আসামি মাহামুদুল হাসান ওরফে মঞ্জু। সংগৃহীত ছবি

দুই বছরের সাজা এড়াতে ২৮ বছর ধরে পলাতক ছিলেন এক ব্যাক্তি। অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি। নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের সৈয়দের খোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আজ রোববার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যাক্তির নাম মাহামুদুল হাসান ওরফে মঞ্জু (৫৩)। তিনি উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের সৈয়দের খোলা এলাকার মৃত আবদুল জলিলের ছেলে। আজ বিকেলে র‌্যাব-১১ নরসিংদীর ক্যাম্প কমান্ডার মো. তৌহিদুল মবিন খান সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান।

র‌্যাব জানায়, ২৮ বছর আগে মাহামুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থানায় একটি ডাকাতির মামলা হয়। ওই মামলায় পলাতক থাকা অবস্থায় দুই বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব আরও জানায়, মাহামুদুল হাসান ২৮ বছর আগে একজন কুখ্যাত ডাকাত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থানায় ডাকাতির অভিযোগে মামলা হয়। ওই মামলায় ১৯৯২ সালে পলাতক অবস্থায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়। পরোয়ানা জারির পর তিনি কৌশলে দেশের বাইরে চলে যান। এরপর দীর্ঘ ২৮ বছর তিনি সৌদি আরব, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আত্মগোপনে থাকেন। ২০০৩ সালে তিনি দেশে ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করেন এবং দ্বিতীয় বিয়ে করে আবারও বিদেশে পালিয়ে যান।

দীর্ঘ দিনের অপেক্ষমাণ সাজা ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করার সময় মাহামুদুল হাসান সম্পর্কে জানতে পারে র‌্যাব-১১। এরপরই তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালাতে থাকে র‌্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে, শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের সৈয়দের খোলা এলাকায় নিজ বাড়িতে এসেছেন তিনি। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ছয় মাস আগে মাহামুদুল হাসান আবার দেশে ফিরেছেন।

র‌্যাব-১১ নরসিংদীর ক্যাম্প কমান্ডার মো. তৌহিদুল মবিন খান বলেন, আজ রোববার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার মাহামুদুল হাসানকে শিবপুর থানা-পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ এই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থানায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তার হাতে তুলে দেবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here